সুনামগঞ্জ , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই

মাছ শিকারের জন্য কাংলার হাওরে বিল সেচ, শত একর বোরো জমি অনাবাদি থাকার শঙ্কা

  • আপলোড সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৮:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৮:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন
মাছ শিকারের জন্য কাংলার হাওরে বিল সেচ, শত একর বোরো জমি অনাবাদি থাকার শঙ্কা
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কাংলার হাওরে মাছ শিকারের কারণে বিলের পানি ছেড়ে দেওয়ায় প্রায় একশ একর (প্রায় ৪০.৫০ হেক্টর) বোরো জমি অনাবাদি থাকার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষকদের অভিযোগ, সাব-ইজারাদার বদর উদ্দিন মাছ ধরার উদ্দেশ্যে কাংলার হাওরের বিলের পানি ছেড়ে দেওয়ায় বোরো জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সময়মতো বোরো ধান রোপণ করা যাচ্ছে না এবং চরম ঝুঁকিতে পড়েছে চলতি মৌসুমের আবাদ। কাংলার হাওরটি সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের হরিনাপাটি গ্রামের পাশেই অবস্থিত। কৃষকদের দাবি, হাওরের ওপরের দিকে চাওখা বিল ও সিঙ্গির দাইড় বিলের মধ্যবর্তী অংশে থাকা বিলের পানি ছেড়ে দেওয়ার কারণেই এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো পানি না পাওয়ায় রোপণ করা যায়নি বোরো ফসল। এতে বোরো ফসল আবাদে চরম ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। হরিনাপাটি গ্রামের কৃষক ইউসুফ আলী জানান, সিংগির দাইড় বিলের ইজারাদার দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বড়কাটা গ্রামের হারু মিয়া। হারু মিয়া সাব লীজ দেন হরিনাপাটি গ্রামের সাবেক রঙ্গারচর ইউপি সদস্য বদর উদ্দিনকে। হরিনাপাটি গ্রামের রফিক মিয়া, শমশের আলী জানান, হরিনাপাটি গ্রামের নিকটবর্তী কাংলার হাওরের উঁচু বোরো জমি আমরা প্রত্যেক বছর শিঙ্গির দাইড় জলাশয়ের পানি দ্বারা চাষাবাদ করে থাকি। এ বছর পানির অভাবে উঁচু বোরো জমি চাষাবাদ করা যায়নি। আব্দুর রউফ, কালা মিয়া, কনু মিয়া জানান, যেগুলো চাষাবাদ করা হয়েছে, সেগুলো পানির অভাবে কিছুদিনের মধ্যে শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাবে। এর সমাধান না হয় তাহলে ধান হবে না। এনিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। অভিযোগের বিষয়ে সাব-ইজারাদার বদর উদ্দিন বলেন, আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। যার নামে বিল আছে তার সাথে কথা বলুন। সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক জানান, এই বিষয়ে আমাকে কোনো কৃষক এখনও কিছুই জানাননি। খোঁজ নিয়ে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স